3 June, 2024
ধাতু কাকে বলে ?

ধাতু কাকে বলে ? ধাতু কত প্রকার ও কি কি ?

Q: ধাতু কাকে বলে ?

Ans:ক্রিয়ার মূল কিংবা এর যে অবিভাজ্য অংশ এর অন্তর্নিহিত মূল ভাবটির দ্যোতনা(দ্যোতনা=সূচনা, প্রকাশনা) করে, অথবা বিশ্লেষণ করা যায় না এ রকম যে ক্ষুদ্রতম ধ্বনি সমষ্টি ক্রিয়ার বস্তু বা গুণ বা অবস্থান বুঝায় তাকে ধাতু বলে।

ধাতু কাকে বলে ? ধাতু কত প্রকার ও কি কি ?

Q: ধাতু কত প্রকার ও কি কি ?

Ans: ধাতু প্রধানত তিন প্রকার।

  • মৌলিক বা সিদ্ধ ধাতু 
  • সাধিত ধাতু
  • সংযোগমূলক বা যৌগিক ধাতু

ধাতু চেনার উপায়:

প্রচলিত বেশকিছু ধাতু বা ক্রিয়ামূল চেনার একটা উপায় হলো : বর্তমান কালের অনুজ্ঞায় তুচ্ছার্থক মধ্যম পুরুষের ক্রিয়ার রূপ লক্ষ করা)। কারণ, এই রূপ আর ধাতুরূপ এক। যেমন – কর, খা, যা, ডাক, দেখ, লেখ ইত্যাদি। এগুলো যেমন ধাতুও, তেমনি মধ্যম পুরুষের তুচ্ছার্থক বর্তমান কালের অনুজ্ঞার ক্রিয়াপদও।


মৌলিক ধাতু কাকে বলে ?

সিদ্ধ ধাতু বা মৌলিক ধাতু কাকে বলে ?

Ans:যে সকল ধাতু বিশ্লেষণ করলে কোন প্রত্যয় পাওয়া যায় না বা যারা সয়ংসিদ্ধ ধাতু, তাদেরকে মৌলিক ধাতুকিংবা সিদ্ধ ধাতু বলে। যেমন- _/কর্‌, _/চল, _/দেখ্‌।

 বাংলা ভাষায় মৌলিক ধাতুগুলোকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা যায় : 

  • বাংলা ধাতু
  • সংস্কৃত ধাতু
  • বিদেশি ধাতু।

বাংলা ধাতু কাকে বলে ?

Ans: যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসেনি সেগুলো হলো বাংলা ধাতু। যেমন – কাট্, কাঁদ, জান, নাচ্ ইত্যাদি।

সংস্কৃত ধাতু কাকে বলে ?

Ans: বাংলা ভাষায় যেসব তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতু প্রচলিত রয়েছে তাদের সংস্কৃত ধাতু বলে। যেমন – কৃ, গম, ধূ, গঠ, স্থা ইত্যাদি।

বিদেশাগত ধাতু কাকে বলে ?

Ans: প্রধানত হিন্দি এবং ক্বচিৎ আরবি-ফারসি ভাষা থেকে যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে, সেগুলোকে বিদেশাগত ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলা হয়। যেমন – ভিক্ষে মেগে খায়। এ বাক্যে “মাগ’ ধাতু হিন্দি ‘মাঞ্জু’ থেকে আগত।


সাধিত ধাতু কাকে বলে ?

Ans: কোন মৌলিক ধাতু কিংবা নাম শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে ধাতু গঠিত হয় তাকে সাধিত ধাতু বলে। যেমন- _/কর + আ = _/করা, _/দেখ্‌ + আ = _/দেখা।


সংযোগমূলক বা যৌগিক ধাতু কাকে বলে ?

Ans: বিশেষ্য, বিশেষণ ইত্যাদির সাথে যুক্ত হয়ে যে ধাতু গঠন করে তাকে সংযোগমূলক বা যৌগিক ধাতু বলেযেমন- পূজা কর্‌, রাজি হ, কষ্ট পা, শাস্তি দে।বিশেষ্য, বিশেষণ ইত্যাদির সাথে যুক্ত হয়ে যে ধাতু গঠন করে তাকে সংযোগমূলক বা যৌগিক ধাতু বলেযেমন- পূজা কর্‌, রাজি হ, কষ্ট পা, শাস্তি দে।


নাম ধাতু কাকে বলে ?

Ans:নাম শব্দ অথ্যাৎ বিশেষ্য, বিশেষণ, অব্যয় প্রভৃতি শব্দ কখনও কখনও প্রত্যয়যোগে, কখনওবা প্রত্যয় যুক্ত না হয়ে ক্রিয়ারূপে ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের ক্রিয়ার মূলকে নাম ধাতু বলে। যেমন- জুতা > জুতানো, বেত > বেতানো, হাত > হাতানো।


ণিজন্ত বা প্রযোজন ধাতু কাকে বলে ?

Ans: মৌলিক ধাতুর সাথে ‘আ’ বা ‘ওয়া’ যুক্ত হয়ে ণিজন্ত বা প্রযোজন ধাতু গঠিত হয়। এটা এক ধরনের সাধিত ধাতু। যেমন- _/কর + আ =করা।


ধ্বন্যাত্মক ধাতু কাকে বলে ?

Ans: ধাতুরূপে ব্যবহৃত অনুকার (অনুকার = সাদৃশ্যকরণ, অনুকরণ) ধ্বনিকে ধ্বন্যাত্মক ধাতু বলে। যেমন- ফোঁসা, হাঁপা, মচ্‌মচা, টল্‌টলা।


নঞ্‌র্থক ধাতু কাকে বলে ?

Ans: ‘অস্তি’ বাচক ‘হ’ ধাতুর পূর্বে নঞ্‌র্থক ‘ন’ শব্দের যোগে গঠিত ‘নহ্‌’ ধাতুকে নঞ্‌র্থক ধাতু বলে। যেমন- নহি, নই, নহ, নও, নহে, নয়।



Frequently Asked Questions:

ধাতু বিভক্তি কাকে বলে?

ধাতু সাথে যে বিভক্তি যুক্ত হয়, তাকে ধাতু বিভক্তি বলে। যেমন→কর্+ই(করি),

ধাতু বিভক্তি উদাহরণ দাও:

 ই ,এ ,ছে ইত্যাদি ধাতু বিভক্তি উদাহরণ

ধাতু বিভক্তির অপর নাম কি?

ধাতু বিভক্তির অপর নাম: ক্রিয়াবিভক্তি

ধাতু কয়টি?

ধাতু প্রধানত তিনটি.

2 thoughts on “ধাতু কাকে বলে ? ধাতু কত প্রকার ও কি কি ?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *